উলামা-তলাবার জন্য যিকর ও নফল ইবাদাত

-50% উলামা-তলাবার জন্য যিকর ও নফল ইবাদাত

সালাফে সালেহীনের যে সমস্ত উক্তি থেকে ইলমে-দ্বীনের কিতাবাদির মুতালাআ ও দরস-তাদরীস প্রভৃতি যিকর, তিলাওয়াত ও কিয়ামুল লাইল থেকে উত্তম হওয়ার কথা প্রমাণিত হয়, তা থেকে কেউ কেউ ভুল বুঝাবুঝির শিকার হয়েছেন। তারা তাহাজ্জুদ ও নাওয়াফেল এবং যিকর ও ওযীফা একেবারে পরিহার করে পূর্ণ সময় তালীম ও তাবলীগে ব্যয় করা শুরু করেছেন।

অথচ মহান ফুকাহা ও মুহাদ্দিসীন এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল আলেমের কর্মপরম্পরা দেখলে এটিই প্রমাণিত হয় যে, তাঁদের কেউই গুরুত্বপূর্ণ নাওয়াফেল তাহাজ্জুদ ইত্যাদি এবং গুরুত্বপূর্ণ আযকার ছেড়ে ইলমী কাজসমূহ অবলম্বন করেননি। বরং ইলমী যাবতীয় খেদমাতের পাশাপাশি যিকর-আযকার, তাহাজ্জুদ ও নাওয়াফেলের ধারাবাহিকতাও সমানভাবে অব্যাহত রেখেছিলেন।

ইমাম আবু হানীফা রাহিমাহুল্লাহ চল্লিশ বছর যাবৎ অবিরাম এশার ওযু দিয়ে ফজর নামায পড়েছেন। দৈনিক একবার পুরো কুরআন মাজীদ খতম করতেন। হেদায়া গ্রন্থের রচয়িতা আল্লামা বুরহানুদ্দীন মারগীনানী রাহিমাহুল্লাহু তেরো বছর নিয়মিত রোযা রেখেছেন। কাউকে তা বুঝতেই দেননি।

উদাহরণস্বরূপ কেবল এই দুই মনীষীর কথা উল্লেখ করা। অন্যথায় এই ধারার প্রত্যেক মনীষীর অবস্থাই অভিন্ন। এ সিলসিলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব বুযুর্গই এমন।

তালীম ও তাআল্লুম, তাদরীস ও তাবলীগ, তাসনীফ ও তালীফের পাশাপাশি আমাদের ইলমী ও আমলী যিন্দেগী কেমন হওয়া উচিত, সে বিষয়ে আমাদের আসলাফ ও আকাবির তাঁদের বয়ান ও রচনায় সুস্পষ্ট নির্দেশনা রেখেছেন।


পড়ে দেখুন




Write a review

Please login or register to review
  • Tk. 520.00
  • Tk. 260.00

Tags: ইসলামী বই, যিকর ও তাহাজ্জুদ, নফল ইবাদাত, সালাফে সালেহীন, ইলমে দ্বীন, তালীম ও তাবলীগ, আত্মশুদ্ধি ও আমল, আকাবিরদের জীবনী, তাসাওউফ, ইবাদত ও ফযীলত, ইসলামী আদর্শ, তরবিয়াত।